Home জাতীয় টানা ছুটিতে পর্যটকের ঢল

টানা ছুটিতে পর্যটকের ঢল

A+A-
Reset

এইচ এন আলম (কক্সবাজার প্রতিনিধি)ঃসত্যাহিক ছুটি, দুর্গাপূজা ও প্রবণ পূর্ণিমা এই মার উৎসব এক সাথে পড়ায় টানা লম্বা ছুটি উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো পর্যটক ভিড় জমাচ্ছেন বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের কক্সবাজারে।

এতে করে হোটেল মোটেলসহ পর্যটন সংশ্লিষ সকল ব্যবসা-বাণিজ্য। মৌসুমের শুরুতেই ব্যাপক পর্যটক আগমের বিষয়টি পর্যটন শিল্পের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

করবাজার শহরের হোটেল-মোটেল জোন থেকে ও দরিয়ানগর সৈকতে উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। শহর পাশের রামুর মিঠাছড়ি ,উখিয়ার ইনানী, এবং টেকনাফ পর্যন্ত পর্যটকের উপস্থিতি লক্ষণীয়।

পর্যটকের ভিড়ে হোটেল-মোটেল
গুলোর বুকিং এক প্রকার পরিপূর্ণ হয়ে গেছে।
অনেক পর্যটক হোটেলে রুম বুকিং করতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন।

অন্যদিকে খাবার হোটেল গুলোতেও বেড়েছে চাপ। পর্যটন ব্যবসায়ীরা বলেন,
এ সময়ে অর্থনৈতিকভাবে তারা বেশ স্বস্তি পেলেও অব্যবস্থাপনা, যানজট ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়ে যাওয়া অনেকের জন্য ভোগান্তির কারণ হয়েছে।

পর্যটকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ, আব, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও লাইফগার্ড দল সৈকত ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিশেষ বিল দিচ্ছে। শিশুদের হারিয়ে যাওয়া ঠেকাতে সত্য হয়েছে বিশেষ হেল্পডেস্ক।

নিরাপত্তা বিষয়ে টুরিস্ট পুলিশের এডিশনাল ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন, পর্যটন এলাকায় নিরাপত্তার কোন ঝুঁকি নেই। টুরিস্ট পুলিশ সতর্ক দায়িত্ব পালন করছে।

যানজট বিষয়ে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ট্রাফিক জসিম উদ্দিন চৌধুরী দৈনিক মিল্লাত প্রতিবেদক কে বলেন, যানজট নিরসনে অনেক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তবে শহরে আরো কিছু অভান্তরীণ সড়কের প্রয়োজন ছিল ।
তা না থাকায় স্বাভাবিক কিছুটা সমস্যা হয়ে থাকে।

মেরিন ড্রাইভ ১২০ কি:মি: মেরিন ড্রাইভ সড়ক কক্সবাজার শহর থেকে টেকনাফ পর্যন্ত পর্যটকদের বাড়তি সুবিধা ও আনন্দ নিচ্ছে। বিষ্টীর্ণ সাগর সৈকত ও সবুজ পাহাড় শৃঙ্গের মাঝখান দিয়ে দীর্ঘ মেরিন ড্রাইভ বিশ্বের আর কোথাও নেই। কক্সবাজার শহর থেকে এই সড়ক দিয়ে সহজেই টেকনাফে পর্যন্ত ভ্রমণ করে একসাথে উপভোগ করতে পারেন শাহাড় আর সাগরের সৌন্দঘা।

একইভাবে পর্যটকদের পদচারণা বেড়েছে রানুর হিমছড়ি, উখিয়ার ইনানী ও টেকনাফের সমুদ্র সৈকতে। সবশিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীসহ সব শ্রেণী পেশার ভ্রমন পিপাসুরা ছুটি কাটাতে এসেছেন করবাজারে।

তবে সাগর দ্বীপ সেন্টমার্টিনে বর্ষার মৌসুমে যাতায়াতে সুযোগ না পেয়ে পর্যটকদের মন ক্ষুন্ন।

পরিবেশ মন্ত্রণালয় এখনো সেন্টমার্টিনে পর্যটক যাতায়াতের অনুমতি দেয়নি। এছাড়াও গত বছর সেন্টমার্টিনে পথটিক যাতায়াতে বিধি-নিষেধের কারণে একদিকে ক্ষুব্ধ ভ্রমণ পিপাসু পর্যটকরা।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন দ্রুতই সেন্টমার্টিন ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা তুলে দেয়া হবে।

পর্যটনের এই মৌসুমি উচ্ছ্বাসে স্থানীয় অর্থনীতিতে প্রাণ ফিরে এসেছে। শুধু হোটেল-মোটেলই নয়, খাবার হোটেল, রেস্তোরায়, রিকশা, সিএনজি, ফটোগ্রাফার থেকে শুরু করে মন্ত্রশিল্পের দোকানগুলোতে জমজমাট বেচাকেনা হচ্ছে।

পর্যটন শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কক্সবাজারের এই মৌসুমি আয় জাতীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে ।

কক্সবাজারে বছরে প্রায় ৩০-৪০ লাখ ভ্রমণ করেন, যা দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সোস্যাল মিডিয়াতে আমরা