গাজায় ‘অপরাধের প্রমাণ মুছে ফেলার’ চেষ্টা, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামাসের অভিযোগ

গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সংঘটিত ‘নৃশংস অপরাধের’ প্রমাণ আড়াল ও মুছে ফেলার চেষ্টা করছে ইসরায়েল—এমন অভিযোগ করেছে ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাস। দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান যুদ্ধের মধ্যে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ অভিযোগ করে সংগঠনটি।

বিবৃতিতে হামাস দাবি করেছে, গাজায় হাজার হাজার নিখোঁজ মানুষের মরদেহ এবং কথিত গণহত্যার বিভিন্ন বস্তুগত প্রমাণ রয়েছে। কিন্তু ইসরায়েল ধ্বংসস্তূপ অপসারণ, চূর্ণবিচূর্ণ ও এক স্থান থেকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে এসব আলামত ‘মুছে ফেলার’ চেষ্টা করছে।

হামাসের দাবি, ঘটনাস্থল, মরদেহ ও আলামতের সঙ্গে এ ধরনের হস্তক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন এবং আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) আদেশের সরাসরি লঙ্ঘন। গাজায় গণহত্যার অভিযোগসংক্রান্ত মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছিল আইসিজে।

একই সঙ্গে মরদেহ ও ঘটনাস্থলের আলামত নষ্ট করা নিহতদের মর্যাদা এবং স্বজনদের লাশ উদ্ধার করে ধর্মীয় ও সামাজিক রীতিতে দাফন করার অধিকারের ওপরও আঘাত বলে উল্লেখ করেছে হামাস।

ঘটনাস্থলগুলো সুরক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ নিতে জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক আদালত ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। পাশাপাশি মরদেহ উদ্ধার এবং বিভিন্ন আলামত নথিভুক্ত ও সংরক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক তদন্ত দল ও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ নিয়োগের দাবি জানিয়েছে হামাস।

তবে বিবৃতিতে গাজার ধ্বংসস্তূপ দ্রুত অপসারণ ও পুনর্নির্মাণকে অত্যন্ত জরুরি মানবিক ও জাতীয় প্রয়োজন হিসেবে উল্লেখ করেছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে এটিকে ফিলিস্তিনি জনগণের ‘অলঙ্ঘনীয় অধিকার’ বলেও দাবি করা হয়েছে।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

Related posts

যুক্তরাষ্ট্রে হ্যালোইন ছুটিতে একের পর এক বন্দুক হামলা, নিহত অন্তত ৬

ইরানে পারমাণবিক হামলার জন্য ট্রাম্পকে চাপ দিচ্ছেন নেতানিয়াহু: টাকার কার্লসন

সিডনির রাস্তায় অ্যাসল্ট রাইফেল নিয়ে পুলিশের টহল শুরু