ইসলামে পিতা-মাতার অধিকার ও সন্তানের দায়িত্ব

ইসলামিক ফিচার | দৈনিক মিল্লাত

(লেখক: মাওঃ আবু মুসা আল হাফিজ)

পিতা-মাতার প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, আনুগত্য ও সেবার মাধ্যমে একজন সন্তান দুনিয়ায় কল্যাণ এবং আখিরাতে সফলতা অর্জন করতে পারে। পবিত্র কোরআন ও সুন্নাহতে পিতা-মাতার অধিকারকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁদের প্রতি সদাচরণকে আল্লাহর ইবাদতের পরপরই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

পিতা-মাতা সন্তানের পৃথিবীতে আসার প্রধান মাধ্যম। সন্তানের জন্ম থেকে বেড়ে ওঠা পর্যন্ত তাঁদের ত্যাগ, শ্রম, ভালোবাসা ও সীমাহীন আত্মত্যাগের কোনো তুলনা নেই। সন্তানের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে পিতা-মাতা নিজেদের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দেন। ইসলামে পিতা-মাতার এই অবদানকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে এবং তাঁদের প্রতি সদাচরণকে প্রত্যেক সন্তানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

পবিত্র কোরআনে পিতা-মাতার অধিকার:

মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে নিজের ইবাদতের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি পিতা-মাতার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন,

আরবি:

وَقَضَىٰ رَبُّكَ أَلَّا تَعْبُدُوا إِلَّا إِيَّاهُ وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا ۚ إِمَّا يَبْلُغَنَّ عِندَكَ الْكِبَرَ أَحَدُهُمَا أَوْ كِلَاهُمَا فَلَا تَقُل لَّهُمَا أُفٍّ وَلَا تَنْهَرْهُمَا وَقُل لَّهُمَا قَوْلًا كَرِيمًا

বাংলা অর্থ: “আর তোমার প্রতিপালক আদেশ দিয়েছেন যে, তোমরা তিনি ছাড়া অন্য কারও ইবাদত করবে না এবং পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহার করবে। তাঁদের একজন অথবা উভয়েই যদি তোমার কাছে বার্ধক্যে উপনীত হন, তবে তাঁদের ‘উফ’ বলো না, তাঁদের ধমক দিয়ো না এবং তাঁদের সঙ্গে সম্মানজনক কথা বলো।”

(সুরা আল-ইসরা, আয়াত: ২৩)

এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা পিতা-মাতার সঙ্গে আচরণের একটি অনন্য শিক্ষা দিয়েছেন। তাঁদের প্রতি সামান্য বিরক্তি প্রকাশ করাও নিষেধ করা হয়েছে। বিশেষ করে বার্ধক্যে যখন তাঁরা শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন এবং অন্যের সহযোগিতার প্রয়োজন হয়, তখন তাঁদের সঙ্গে কোমল, বিনয়ী ও সম্মানজনক আচরণ করা সন্তানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

এর পরের আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন,

وَاخْفِضْ لَهُمَا جَنَاحَ الذُّلِّ مِنَ الرَّحْمَةِ وَقُل رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا

বাংলা অর্থ: “আর মমতাবশে তাঁদের প্রতি বিনয়ের ডানা অবনমিত করো এবং বলো, ‘হে আমার প্রতিপালক! তাঁদের উভয়ের প্রতি দয়া করুন, যেমন তাঁরা শৈশবে আমাকে লালন-পালন করেছেন।’”

(সুরা আল-ইসরা, আয়াত: ২৪)

এ আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা সন্তানদের পিতা-মাতার জন্য দোয়া করতে শিখিয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে বিনয়ী আচরণ করা, সেবা-যত্ন করা এবং তাঁদের প্রতি দয়া প্রদর্শন করা একজন মুমিনের নৈতিক ও ধর্মীয় দায়িত্ব।

মায়ের মর্যাদা ও বাবার অবদান:

ইসলামে মায়ের মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ। সন্তানকে গর্ভে ধারণ, প্রসবের কষ্ট এবং লালন-পালনের ক্ষেত্রে মায়ের ত্যাগের কথা পবিত্র কোরআনে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। মহান আল্লাহ বলেন,

وَوَصَّيْنَا الْإِنسَانَ بِوَالِدَيْهِ حَمَلَتْهُ أُمُّهُ وَهْنًا عَلَىٰ وَهْنٍ وَفِصَالُهُ فِي عَامَيْنِ أَنِ اشْكُرْ لِي وَلِوَالِدَيْكَ إِلَيَّ الْمَصِيرُ

বাংলা অর্থ: “আর আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার প্রতি সদাচরণের নির্দেশ দিয়েছি। তার মা তাকে কষ্টের পর কষ্ট সহ্য করে গর্ভে ধারণ করেছে এবং তার দুধ ছাড়ানো হয় দুই বছরে। সুতরাং আমার প্রতি ও তোমার পিতা-মাতার প্রতি কৃতজ্ঞ হও। আমার কাছেই প্রত্যাবর্তন।”

(সুরা লুকমান, আয়াত: ১৪)

মায়ের মর্যাদা সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ হাদিস রয়েছে। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত,

جَاءَ رَجُلٌ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ ﷺ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَنْ أَحَقُّ النَّاسِ بِحُسْنِ صَحَابَتِي قَالَ أُمُّكَ قَالَ ثُمَّ مَنْ قَالَ أُمُّكَ قَالَ ثُمَّ مَنْ قَالَ أُمُّكَ قَالَ ثُمَّ مَنْ قَالَ أَبُوكَ

বাংলা অর্থ: এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করলেন, “হে আল্লাহর রাসুল! আমার উত্তম আচরণ পাওয়ার সবচেয়ে বেশি অধিকারী কে?” তিনি বললেন, “তোমার মা।” লোকটি জিজ্ঞাসা করলেন, “তারপর কে?” তিনি বললেন, “তোমার মা।” লোকটি আবার জিজ্ঞাসা করলেন, “তারপর কে?” তিনি বললেন, “তোমার মা।” লোকটি পুনরায় জিজ্ঞাসা করলেন, “তারপর কে?” তিনি বললেন, “তোমার বাবা।”

(সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫৯৭১)

এই হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) মায়ের সঙ্গে উত্তম আচরণের অধিকারকে তিনবার গুরুত্ব দিয়ে উল্লেখ করেছেন। এরপর বাবার অধিকারের কথা বলেছেন। এর মাধ্যমে মায়ের বিশেষ মর্যাদার পাশাপাশি বাবা-মা উভয়ের প্রতিই সন্তানের দায়িত্বের বিষয়টি সুস্পষ্ট হয়েছে।

পিতা-মাতার আনুগত্যের সীমা ও ইসলামের নির্দেশনা:

ইসলাম পিতা-মাতার প্রতি আনুগত্যের নির্দেশ দিলেও তা সীমাহীন নয়। আল্লাহর অবাধ্যতা কিংবা শিরকের মতো কাজে কারও আনুগত্য করা যাবে না। তবে এমন পরিস্থিতিতেও পিতা-মাতার সঙ্গে সদাচরণ বজায় রাখতে হবে।

আল্লাহ তাআলা বলেন,

وَإِن جَاهَدَاكَ عَلَىٰ أَن تُشْرِكَ بِي مَا لَيْسَ لَكَ بِهِ عِلْمٌ فَلَا تُطِعْهُمَا وَصَاحِبْهُمَا فِي الدُّنْيَا مَعْرُوفًا

বাংলা অর্থ: “আর যদি তারা তোমাকে আমার সঙ্গে এমন কিছুকে শরিক করতে চাপ দেয়, যার সম্পর্কে তোমার কোনো জ্ঞান নেই, তবে তাদের আনুগত্য করো না; তবে দুনিয়ায় তাদের সঙ্গে সদ্ভাবে বসবাস করো।”

(সুরা লুকমান, আয়াত: ১৫)

এই আয়াত থেকে বোঝা যায়, ইসলামে আনুগত্যের পাশাপাশি ন্যায়নীতি ও আল্লাহর বিধান মেনে চলার গুরুত্ব রয়েছে। পিতা-মাতা কোনো অন্যায় বা পাপের নির্দেশ দিলে তা পালন করা যাবে না; কিন্তু তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারও করা যাবে না।

সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার দায়িত্ব:

ইসলাম শুধু পিতা-মাতার অধিকারই প্রতিষ্ঠা করেনি, বরং সন্তানের প্রতিও পিতা-মাতার দায়িত্ব নির্ধারণ করেছে। সন্তানকে সুশিক্ষা দেওয়া, নৈতিক চরিত্র গঠন, হালাল উপার্জনের মাধ্যমে ভরণপোষণ, স্নেহ-মমতা এবং ন্যায়সংগত আচরণের মাধ্যমে একজন আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা পিতা-মাতার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

সন্তানের মধ্যে নৈতিকতা, সততা, সত্যবাদিতা, মানবিকতা ও আল্লাহভীতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে পরিবারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পরিবারই শিশুর প্রথম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং পিতা-মাতাই তার প্রথম শিক্ষক।

সন্তানকে শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত করাই যথেষ্ট নয়; বরং তাকে ইসলামের মৌলিক শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ, মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধ এবং অন্যের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে তোলাও পিতা-মাতার কর্তব্য।

বার্ধক্যে পিতা-মাতার সেবা সন্তানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব:

মানুষের জীবনে বার্ধক্য এমন একটি সময়, যখন শারীরিক সক্ষমতা কমে আসে এবং অন্যের সহযোগিতার প্রয়োজন হয়। যে পিতা-মাতা একসময় সন্তানের প্রতিটি প্রয়োজনে পাশে ছিলেন, বয়সের ভারে তাঁরাই একসময় সন্তানের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। এ সময় তাঁদের অবহেলা, অসম্মান কিংবা একাকিত্বের মধ্যে ফেলে রাখা ইসলামের সদাচরণের শিক্ষার পরিপন্থী।

সন্তানের উচিত পিতা-মাতার প্রয়োজনের প্রতি খেয়াল রাখা, তাঁদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, সামর্থ্য অনুযায়ী আর্থিক সহযোগিতা করা, তাঁদের সঙ্গে সময় কাটানো এবং তাঁদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা। বিশেষ করে তাঁদের অসুস্থতা কিংবা দুর্বলতার সময় ধৈর্য ও সহানুভূতির পরিচয় দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

পিতা-মাতার সেবা শুধু আর্থিক সহযোগিতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং তাঁদের মানসিক প্রশান্তি নিশ্চিত করা, সম্মান বজায় রাখা এবং ভালোবাসাপূর্ণ আচরণ করাও এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাঁদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া, তাঁদের একাকিত্ব দূর করা এবং তাঁদের প্রয়োজনের সময় পাশে থাকাও সন্তানের দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত।

পিতা-মাতার মৃত্যুর পরও সন্তানের দায়িত্ব:

পিতা-মাতার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তাঁদের প্রতি সন্তানের দায়িত্ব সম্পূর্ণ শেষ হয়ে যায় না। তাঁদের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও রহমত কামনা করা, তাঁদের বৈধ অসিয়ত পূরণ করা, তাঁদের ঋণ থাকলে তা পরিশোধের ব্যবস্থা করা এবং তাঁদের আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা উত্তম কাজের অন্তর্ভুক্ত।

পবিত্র কোরআনে শেখানো দোয়াটি সন্তানদের নিয়মিত পাঠ করা উচিত।

رَبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا

উচ্চারণ: রব্বির হামহুমা কামা রব্বাইয়ানি সগিরা।

অর্থ: “হে আমার প্রতিপালক! তাঁদের উভয়ের প্রতি দয়া করুন, যেমন তাঁরা শৈশবে আমাকে লালন-পালন করেছেন।”

(সুরা আল-ইসরা, আয়াত: ২৪)

পিতা-মাতার মৃত্যুর পর তাঁদের জন্য দোয়া করা, তাঁদের রেখে যাওয়া বৈধ দায়িত্বগুলো পালন করা এবং তাঁদের সঙ্গে সম্পর্কিত আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সদাচরণ বজায় রাখা একজন সন্তানের উত্তম চরিত্রের পরিচয়।

সামাজিক অবক্ষয় রোধে পিতা-মাতার প্রতি দায়িত্বশীলতা

বর্তমান সমাজে পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় রাখা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ব্যস্ততা, ব্যক্তিকেন্দ্রিক জীবনযাপন এবং পারস্পরিক দূরত্বের কারণে অনেক ক্ষেত্রে পিতা-মাতার সঙ্গে সন্তানের সম্পর্ক দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। অথচ একটি সুন্দর, মানবিক ও নৈতিক সমাজ গঠনে পারিবারিক মূল্যবোধের ভূমিকা অপরিসীম।

পিতা-মাতার প্রতি শ্রদ্ধা, তাঁদের সেবা এবং তাঁদের সঙ্গে সদাচরণের শিক্ষা পরিবার থেকে পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। সন্তান যখন নিজের পিতা-মাতার প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ করে, তখন তার সন্তানদের মধ্যেও একই ধরনের মূল্যবোধ গড়ে ওঠার সুযোগ তৈরি হয়।

তাই পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোর উচিত পিতা-মাতার অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং পারিবারিক বন্ধন সুদৃঢ় করার উদ্যোগ নেওয়া। একই সঙ্গে সন্তানদের মধ্যে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে দায়িত্বশীল, মানবিক ও মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম গড়ে তোলা সম্ভব।

সর্বপরি বলা যায়, পিতা-মাতা মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে সন্তানের জন্য এক বিশেষ নিয়ামত। তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, আনুগত্য, সেবা ও সদাচরণ ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। পবিত্র কোরআন ও রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহতে পিতা-মাতার অধিকারকে যে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, তা একজন মুমিনের জীবনে বাস্তবায়ন করা অপরিহার্য।

সন্তানের উচিত জীবিত অবস্থায় পিতা-মাতার যথাযথ সেবা করা, তাঁদের সঙ্গে সুন্দর আচরণ করা এবং মৃত্যুর পরও তাঁদের জন্য দোয়া করা। পিতা-মাতার প্রতি দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে পারিবারিক শান্তি, সামাজিক সম্প্রীতি ও নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা সম্ভব।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে পিতা-মাতার যথাযথ অধিকার আদায় করার, তাঁদের প্রতি সদাচরণ করার, জীবিত অবস্থায় তাঁদের সেবা করার এবং মৃত্যুর পর তাঁদের জন্য দোয়া করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

তথ্যসূত্র: পবিত্র আল-কোরআন—সুরা আল-ইসরা, আয়াত ২৩–২৪; সুরা লুকমান, আয়াত ১৪–১৫। সহিহ বুখারি, হাদিস ৫৯৭১।

Related posts

শিক্ষায় বিনিয়োগ ও সামরিক সেবার বাধ্যবাধকতা বাতিলের দাবিতে জার্মানিতে জেন জি বিক্ষোভ

জীবনযাত্রার ব্যয় ও শিক্ষাব্যবস্থার প্রতিবাদে ফ্রান্সে বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ২৯০

সাইবার হামলায় চুরি হওয়া অর্থের ৯০ শতাংশ পূরণ করল বাইন্যান্স