নরওয়ের রাজধানী ওসলো যাওয়ার পথে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে বহনকারী একটি বিমান অল্পের জন্য ড্রোনের আঘাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। মলদোভা থেকে উড্ডয়নের সময় এ ঘটনা ঘটে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইয়োনাস গাহর স্তোরে দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনআরকে-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান।
পরে মলদোভা সরকারের এক মুখপাত্রও ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মঙ্গলবার জেলেনস্কির বিমান উড্ডয়নের আগে ড্রোন-সংক্রান্ত সতর্কতা জারি করা হয়। এতে একটি রুশ ড্রোন জড়িত ছিল বলে দাবি করেন তিনি।
মুখপাত্র আরও জানান, ড্রোনের হুমকির কারণে মলদোভার আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। ফলে জেলেনস্কিকে বহনকারী বিমানটির উড্ডয়ন বিলম্বিত হয়। পরে ড্রোনটি মলদোভার ভূখণ্ডে ভেঙে পড়ার পর বিমানটিকে উড্ডয়নের অনুমতি দেওয়া হয়।
ওসলো সফরকালে জেলেনস্কি নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইয়োনাস গাহর স্তোরের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। পাশাপাশি প্রতিরক্ষা খাতের নির্বাহীদের সঙ্গেও বৈঠকে অংশ নেন তিনি। এসব বৈঠকে ইউরোপীয় অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘ফ্রেয়া’ শক্তিশালী করা এবং যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনা হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে জেলেনস্কি বলেন, ইউরোপের আকাশসীমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সবার যৌথ দায়িত্ব। ‘ফ্রেয়া’ প্রকল্পের মাধ্যমে দ্রুত বাস্তব ফল পাওয়ার আশাও প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে, একই দিনে ইউক্রেনের আঞ্চলিক কর্মকর্তারা জানান, ইউক্রেন-মলদোভা সীমান্ত এবং দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে রাশিয়ার হামলায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন।
সূত্র: আল জাজিরা