Home আজকের মিল্লাত মাসে সেরা ৫% হাসপাতাল পাবে প্রণোদনা, দুর্বল ৫%-এর বিরুদ্ধে শাস্তি

মাসে সেরা ৫% হাসপাতাল পাবে প্রণোদনা, দুর্বল ৫%-এর বিরুদ্ধে শাস্তি

A+A-
Reset

সরকারি হাসপাতালগুলোর সেবার মান, কর্মদক্ষতা ও জবাবদিহিতা বাড়াতে প্রতি মাসে ভালো ও দুর্বল কর্মদক্ষতার প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতি মাসে সেরা ৫ শতাংশ প্রতিষ্ঠানকে প্রণোদনা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে দুর্বল কর্মদক্ষতার ৫ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নেওয়া হবে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা।

সম্প্রতি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় পরিদর্শনের সময় কর্মকর্তা ও চিকিৎসকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তার দেওয়া নির্দেশনার আলোকে সরকারি হাসপাতালগুলোতে উপস্থিতি, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, সেবার মান ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে অধিদপ্তর থেকে পরিপত্র জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

নির্দেশনায় সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এজন্য বায়োমেট্রিক উপস্থিতি ব্যবস্থা ও জিও-ফেন্সিং প্রযুক্তি চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে উপস্থিতির তথ্য বেতন, ছুটি ও পদোন্নতির ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয় করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করতে এসব নির্দেশনা কতটা বাস্তবায়িত হচ্ছে, তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে বাস্তবায়নের অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

হাসপাতালগুলোর কর্মদক্ষতা ও জবাবদিহিতা মূল্যায়নে প্রতি মাসে সেরা ৫ শতাংশ এবং দুর্বল কর্মদক্ষতার ৫ শতাংশ প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করা হবে। সেরা প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রণোদনা দেওয়ার পাশাপাশি দুর্বল প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও প্রতিষ্ঠানপ্রধানের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ফলে হাসপাতালের সেবা ব্যবস্থাপনা, চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি এবং দায়িত্ব পালনের বিষয়টি আরও কঠোরভাবে নজরদারির আওতায় আসছে।

আগামী ২৫ আগস্ট এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করার কথা রয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি হাসপাতালগুলোর সেবার মান উন্নয়ন, কর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং জবাবদিহিতা বাড়ানোর উদ্যোগ কতটা কার্যকর হয়েছে, তা পর্যালোচনা করা হবে।

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সোস্যাল মিডিয়াতে আমরা