Home আজকের মিল্লাত যেকোনো হামলার জবাব সীমান্তের বাইরে গিয়েও দেওয়া হবে: মোজতবা খামেনি

যেকোনো হামলার জবাব সীমান্তের বাইরে গিয়েও দেওয়া হবে: মোজতবা খামেনি

A+A-
Reset

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যেকোনো ধরনের হুমকির তাৎক্ষণিক ও কার্যকর জবাব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। এ ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমারেখা মানা হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্যবস্তুর তালিকা হালনাগাদ করার জন্য দেশটির শীর্ষ সামরিক কমান্ডারদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

ইরান সরকারের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, শনিবার শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে মোজতবা খামেনি বলেন, ‘যেকোনো স্তরের বা ধরনের হুমকির তাৎক্ষণিক ও কার্যকর জবাব দিতে হবে। আর এই জবাব দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানা মানা হবে না।’

ইরানের সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মোজতবা খামেনির এটিই প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বৈঠকে সামরিক কমান্ডারদের সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্যবস্তুর তালিকা হালনাগাদ করার নির্দেশ দেন তিনি। তালিকায় ‘আমেরিকান ও জায়নবাদী শত্রুদের দৃশ্যমান ও অদৃশ্য সব ধরনের সম্পদ’ অন্তর্ভুক্ত করার কথাও বলেন তিনি।

বৈঠকে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ আলি আবদোল্লাহি, সেনাপ্রধান আমির হাতামি এবং ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) কমান্ডার আহমাদ ওয়াহিদি উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে সংঘাতের সূচনা হয়। এর জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সম্পদ ও স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইরান। বর্তমানে দুই পক্ষের মধ্যে সরাসরি পাল্টাপাল্টি হামলা বন্ধ থাকলেও নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়া ঠেকাতে কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে।

এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে শুক্রবার কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা তেহরানে পৌঁছেছেন বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। এ ছাড়া মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান মহসেন রেজায়ির কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, বর্তমানে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের কোনো পরিকল্পনা নেই।

এদিকে, ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকারামিনিয়া সতর্ক করে বলেছেন, নতুন করে শত্রুতা শুরু হলে যুদ্ধের পরিধি আরও বিস্তৃত হতে পারে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সংঘাত পুনরায় শুরু হলে যুদ্ধের আগুন আরও বড় ভৌগোলিক এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সোস্যাল মিডিয়াতে আমরা