Home আজকের মিল্লাত মক্কার দিকে ধাবমান হুথিদের ড্রোন আকাশেই ধ্বংস করল সৌদি আরব

মক্কার দিকে ধাবমান হুথিদের ড্রোন আকাশেই ধ্বংস করল সৌদি আরব

A+A-
Reset

ইসলামের পবিত্রতম শহর মক্কার দিকে ধাবমান ইয়েমেনের হুথি বাহিনীর একটি ড্রোন আকাশেই ধ্বংস করার দাবি করেছে সৌদি আরব। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালকি জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রয়্যাল সৌদি এয়ার ডিফেন্স ফোর্সেস একটি শত্রুভাবাপন্ন ড্রোন শনাক্ত করে। ড্রোনটি সৌদি আরবের সংরক্ষিত আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই তা প্রতিহত করা হয় বলে দাবি করেন তিনি।

উপাসক ও সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত করার যেকোনো প্রচেষ্টার নিন্দা জানিয়ে তুর্কি আল-মালকি বলেন, দুই পবিত্র মসজিদ এবং তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তা রক্ষা করা সৌদি আরবের জন্য ‘রেড লাইন’ বা অলঙ্ঘনীয় সীমা।

ঘটনার পর মঙ্গলবার পবিত্র শহর মক্কায় নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়। ২০১৭ সালের পর এটিই ছিল মক্কায় এমন সতর্কতা জারির প্রথম ঘটনা বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কয়েক মিনিটের মধ্যেই সতর্কতা তুলে নেওয়া হয়। একই সময়ে তায়েফ ও সৌদি আরবের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর জেদ্দাতেও অনুরূপ সতর্কতা জারি করা হয়েছিল।

অন্যদিকে ইয়েমেনের সাবা বার্তা সংস্থায় দেওয়া এক বিবৃতিতে হুথিদের সামরিক সূত্র মক্কা বা অন্য কোনো পবিত্র স্থানকে লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা এ ধরনের কোনো হুমকির কথাও অস্বীকার করে ঘটনাটিকে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার বলে দাবি করেছে।

২০১৫ সালে হুথিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখলের পর সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট সামরিক হস্তক্ষেপ শুরু করে। দীর্ঘ সংঘাতের পর ২০২২ সালের এপ্রিলে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে পরিস্থিতিতে সাময়িক শান্তি আসে। তবে পরবর্তী সময়ে লোহিত সাগরে উত্তেজনা ও হুথিদের সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধির কারণে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

কাবা শরিফের অবস্থান হওয়ায় মক্কা বিশ্বের মুসলিমদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল একটি শহর। সেখানে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক মুসল্লি হজ ও ওমরাহ পালন করেন। ফলে শহরটির নিরাপত্তা নিয়ে যেকোনো ঘটনা সম্ভাব্য তীর্থযাত্রা ও মুসল্লিদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করতে পারে।

সূত্র: আল জাজিরা

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সোস্যাল মিডিয়াতে আমরা