তাইওয়ানকে সামরিক সহায়তা ও অস্ত্র সরবরাহের মাধ্যমে তাইওয়ান প্রণালিতে উত্তেজনা উসকে দেওয়ার অভিযোগ তুলে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর সমালোচনা করেছে উত্তর কোরিয়া।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ প্রকাশিত এক মন্তব্যে আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশ্লেষক কিম মিয়ং চোল দাবি করেন, তাইওয়ানকে ঘিরে মার্কিন নীতি এ অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
তাইওয়ানে মার্কিন নির্মিত যুদ্ধবিমান পৌঁছানোরও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কেসিএনএ। প্রতিবেদনে বলা হয়, তাইওয়ানের নিরাপত্তার নামে চীনের জাতীয় শক্তির মুখোমুখি হওয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্রকে সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে ভাবা উচিত।
২০১৯ সালে অর্ডার করা ৬৬টি এফ-১৬ভি ব্লক ৭০ যুদ্ধবিমানের মধ্যে প্রথম দুটি গত সপ্তাহে তাইওয়ানে পৌঁছেছে। বেইজিংয়ের সম্ভাব্য সামরিক হুমকি মোকাবিলায় তাইওয়ান এসব যুদ্ধবিমান সংগ্রহ করছে।
এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের জন্মদিন উপলক্ষে পাঠানো এক শুভেচ্ছাবার্তায় রাশিয়ার প্রতি অব্যাহত সমর্থনের অঙ্গীকার করেছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন।
দুই দেশের সমন্বিত কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও সম্প্রসারণের কথা জানিয়ে কিম বলেন, সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় রাশিয়ার ‘ন্যায্য যুদ্ধ’ শেষ পর্যন্ত জয়ী হবে।
বার্তায় ইউক্রেন যুদ্ধের কথা সরাসরি উল্লেখ না থাকলেও ইউক্রেন ও দক্ষিণ কোরিয়ার হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সাল থেকে রাশিয়াকে সহায়তা করতে উত্তর কোরিয়া আনুমানিক ১৪ থেকে ১৫ হাজার সেনা পাঠিয়েছে।
২০২৪ সালের জুনে পুতিন ও কিমের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকে দুই দেশের বাণিজ্যিক ও সামরিক সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে।