ঢাকা-১৮ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীবের ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়, সহিংসতা ও সন্ত্রাসের রাজনীতির বিরুদ্ধে ভোটের মাধ্যমেই সমুচিত জবাব দেবে জনগণ।
সোমবার সকালে রাজধানীর খিলক্ষেত থানার ডুমনি নূরপাড়া এলাকায় হামলার পর এনসিপির তাৎক্ষণিক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়।
একটি এতিমখানা পরিদর্শন ও গণসংযোগ চলাকালে স্থানীয় বিএনপি নেতা দিদার মোল্লার নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী এই হামলা চালায় বলে অভিযোগ করছে এনসিপি। এতে জোটের অন্তত দুইজন কর্মী গুরুতর আহত হন।
এনসিপি জানায়, ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। তার নেতাকর্মীরা নিয়মিত বিভিন্নভাবে জোটের কর্মীদের নির্বাচনী প্রচারণার সময় বাধা প্রদান করে আসছে। বিএনপির নেতাকর্মীরা আবদুল্লাহপুরে একজন জামায়াত কর্মীর ওপর হামলা করে, খিলক্ষেত বরুয়া এলাকায় নির্বাচনী অফিস উদ্বোধনের সময় মব সৃষ্টি করে বাধা প্রদান, তুরাগের বামনারটেকে নির্বাচনী অফিসের ব্যানার ছিড়ে ফেলা, নিকুঞ্জতে নানাভাবে মহিলা জামায়াত কর্মীদেরকে হুমকি প্রদানসহ নির্বাচনী কার্যক্রমে ব্যাঘাত সৃষ্টি করেছে। বিষয়টি নিয়ে এস এম জাহাঙ্গীরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলে আশ্বাস দেন। অথচ তার পরদিনই এই হামলা হলো।
এনসিপি প্রার্থীর ওপর হামলার ঘটনায় এলডিপির নিন্দাএনসিপি প্রার্থীর ওপর হামলার ঘটনায় এলডিপির নিন্দা
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৫ আগস্ট থেকে অবাধ্য দলীয় কোন্দল, চাঁদাবাজি ও সম্পত্তি দখলকে কেন্দ্র করে বিএনপির হাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, দলীয় কর্মী, সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ী খুন হওয়ার ঘটনা ঘটছে। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে একজন এমপি প্রার্থীর ওপর এমন ন্যাক্কারজনক হামলায় দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে জনমনে গভীর উদ্বেগ ও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এনসিপি মনে করে, নির্বাচনী মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে সহিংসতায় রূপ দেওয়া গণতন্ত্র ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য মারাত্মক হুমকি। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায় এনসিপি। একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।